নদীর এই কুল ভাঙ্গে ওই কুল গড়ে
এই তো নদীর খেলা
সকাল বেলার আমির ও ভাই
ফকির সন্ধ্যা বেলা ॥
নিষ্ঠুর নদীর করাল ঘ্রাসে দেহ ভগ্ন, সর্বশান্ত ও সর্বহারা দ্বীপ হাতিয়া ও সন্দ্বীপ। সন্দ্বীপ নদীর প্রবল ভাঙ্গনে বসত বাড়ি জায়গা জমি হারিয়ে হাতিয়া দ্বীপের বর্তমান ওছখালী চরকৈলাশ ৩নং ওয়ার্ডে, সন্দ্বীপ থেকে এসে ১৯১৯ সালে বসতি স্থাপন করেন আবদুল হাদি মিয়া নামের জনৈক ব্যক্তি। তিনি অত্যন্ত সৎ, নির্ভিক, পরিশ্রমী এবং কর্মঠ মানুষ ছিলেন। তাঁর কঠোর পরিশ্রমের বদৌলতে অল্প সময়ের মধ্যে তিনি হাতিয়াতে অনেক জায়গা জমি অর্থ ভিত্তের মালিক হয়েছেন। তিনি অত্যন্ত ধার্মীক ও দ্বীনি শিক্ষা প্রিয় মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যুর পূর্বে তিনি তার সন্তানদের নিকট অছিয়ত করে বলেন যে, এতদাঞ্চলের মানুষের ধর্মীয় ও দ্বীনি শিক্ষা লাভের জন্য একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করবেন।
তাঁর মৃত্যুরপর তাঁরই সুযোগ্য সন্তান মরহুম আছেফল হক তার পিতার অছিয়ত বাস্তবায়ন করেন। তিনি ১৯৪৮ সালে চরকৈলাশ গ্রামের নামেই একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। তার নাম করন করেন “চরকৈলাশ হাদিয়া ফাজিল মাদ্রাসা”।
১৯৫৬ সালে মাদ্রাসাটি সর্ব প্রথম দাখিল স্বীকৃতি লাভ করে।
১৯৭১ সালে আলিম ও ফাজিল স্বীকৃতি লাভ করে।
১৯৮৪ সালে দাখিল আলিম ও ফাজিল পর্যন্ত একই সাথে এমপিও ভুক্ত হয়।
বর্তমানে মাদ্রাসাটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, ইসলামী আরবী বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে।